টাইফয়েডের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Monday, 4 July 2022

টাইফয়েডের লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়



আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীর সাধারণত কিছু সংক্রামক রোগের শিকার হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ হল টাইফয়েড যা পিরিয়ড ফিভার নামেও পরিচিত। টাইফয়েড হল সালমোনেলা টাইফি ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ। টাইফয়েডের লক্ষণগুলো ধীরে ধীরে আমাদের শরীরে দেখা দেয়। সাধারণত বর্ষাকালে শিশুরা টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের কারণে প্রায়শই টাইফয়েড সংক্রমণ ঘটে। এর পাশাপাশি জল দূষিত হওয়ার কারণে টাইফয়েডের সংক্রমণও হতে পারে। মানবদেহের রক্তনালীতে টাইফয়েডের ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।  

টাইফয়েডের লক্ষণ: 
টাইফয়েডের প্রাথমিক লক্ষণগুলির মধ্যে শরীর ভেঙে যাওয়া এবং শরীরে ব্যথা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এরপর ধীরে ধীরে দীর্ঘক্ষণ জ্বর থাকে। একই সময়ে এই জ্বর হালকা মাত্রা থেকে শুরু হয়ে উচ্চ তাপমাত্রা পর্যন্ত যেতে পারে। বাচ্চাদের প্রায়শই জ্বরের সঙ্গে বমি, ডায়রিয়া এবং তীব্র পেটে ব্যথা হতে পারে। এর পাশাপাশি টাইফয়েডের সময় অনেক সময় শরীরের ওজন কমে যায়। এ কারণে শরীর অনেকাংশে দুর্বল হয়ে পড়ে।

টাইফয়েড প্রতিরোধ:
টাইফয়েড প্রতিরোধের জন্য আমাদের দূষিত জল ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। সব সময় ফিল্টার করা জল ব্যবহারই আমাদের এই সংক্রামক রোগ থেকে বাঁচাতে পারে। ফিল্টার জলের সুবিধা না থাকলে জল ফুটিয়ে ঠান্ডা করে পান করতে পারেন। এর পাশাপাশি আপনার চারপাশে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে টাইফয়েডের সংক্রমণও এড়ানো যায়। এ থেকে বাঁচতে সবুজ শাকসবজি খান। পরিষ্কার জল দিয়ে ধুয়ে ফেললেই ফল ব্যবহার করা সবসময়ই ভালো।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad