আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চড় মারার হুমকি, গ্রেফতার টিএমসি প্রাক্তন ছাত্র নেতা - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Sunday, 3 April 2022

আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চড় মারার হুমকি, গ্রেফতার টিএমসি প্রাক্তন ছাত্র নেতা



 রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে উপাচার্যদের কর্মক্ষমতা নতুন নয়।  কখনও যাদবপুরে আবার কখনও বিশ্বভারতীতে উপাচার্যের বিরুদ্ধে ছাত্রদের বারবার বিক্ষোভ হয়েছে।


  তবে কলকাতার আলিয়া ইউনিভার্সিটির নিউটাউনের ক্যাম্পাসে যে ছবি দেখা গেছে তা প্রায় নজিরবিহীন।  কিছু যুবক উপাচার্যের অফিসে ঢুকে তার সঙ্গে শুধু অকথ্য ভাষায় কথা বলে না,  চড় মারারও হুমকি দেয়।


 এই হুমকির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।  এতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মণ্ডলকে উপাচার্যকে হুমকি দিতে দেখা যায়।


 উপাচার্য থানায় অভিযোগ করলেও কিছুই হয়নি।  এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই তোলপাড় শুরু হয়েছে।  এখন সল্টলেক পুলিশ তৃণমূলের প্রাক্তন ছাত্র নেতা গিয়াসউদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে।


 আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছবি রাজ্যের একাডেমিক পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।  শিক্ষার্থীরা উপাচার্য মোহাম্মদ আলীর বাড়িতে ঢুকে তাকে হুমকি দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে।


  উপাচার্য বলেন যে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা গিয়াসউদ্দিন মন্ডলকে কয়েকদিন আগে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল এবং সম্প্রতি উপাচার্য মহম্মদ আলীর মেয়াদ বাড়ানোর কথা জানা গেছে। এ কথা শুনে বহিষ্কৃত ছাত্রনেতারা উপাচার্যের কার্যালয়ে গিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

 


 উপাচার্য মোহাম্মদ আলী বলেন, তিনি পুলিশকে সাহায্যের জন্য ডাকলেও কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে আসেননি।  নিরাপত্তা দেওয়া হয়নি।  উপাচার্যের এমন অভিযোগ নথিভুক্ত করার পরও প্রশাসন উদাসীন কেন এমন প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে?


 ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, তৃণমূল কোনও আপত্তিকর ঘটনা সমর্থন করে না।  কিন্তু তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য গিয়াসউদ্দিন মণ্ডলকে তৃণমূল কর্মী হিসেবে মানতে রাজি হননি।তার দাবি, কিছু বহিরাগত এই কাজ করেছে। 


 গিয়াসউদ্দিনকে তৃণমূলের প্রাক্তন ছাত্রনেতা কবিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ মনে করা হয়।  পরে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন কবিরুল।


  যদিও গিয়াসউদ্দিন এখনও তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত।  এ ঘটনায় শিক্ষা মহলে নিন্দার ঝড় বইছে।  অধ্যাপক পার্থ প্রতিম রায় বলেন, এটাই নাকি বাংলার সংস্কৃতি।


 এসবের পেছনে ক্ষমতাসীনদের মদদ রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  যদিও তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার তাকে তৃণমূল নেতা হিসেবে মানতে রাজি হননি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad