কারি পাতা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Tuesday, 2 August 2022

কারি পাতা খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা



কারি পাতা সাধারণত প্রতিটি বাড়িতে খাবারের জন্য ব্যবহৃত হয়। কারি পাতা অনেক খাবারে ব্যবহার করা হয়, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে। এটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী। কারি পাতায় অনেক ঔষধি গুণ পাওয়া যায় যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় যা ডায়াবেটিস, অ্যানিমিয়া এবং ডায়রিয়ার মতো আরও অনেক রোগ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে

রক্তশূন্যতায় উপকারী: অ্যানিমিয়া রোগীদের জন্য কারি পাতা খাওয়া খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়। এর ব্যবহারে শরীরে রক্তের অভাব দূর হয়। এতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, জিঙ্ক এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা রক্তাল্পতা কমাতে সাহায্য করে।

 ওজন কমাতে কার্যকর: কারি পাতা সেবন স্থূলতা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। এতে ডাইক্লোরোমেথেন, ইথাইল অ্যাসিটেট এবং মহানিম্বিনের মতো উপাদান রয়েছে যা ওজন কমাতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

 ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ: সুগারের রোগীদের জন্য কারি পাতা খুবই উপকারী। কারি পাতায় হাইপোগ্লাইসেমিয়া নামক উপাদান থাকে যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে। কারি পাতা সেবন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 হার্টের জন্য উপকারী: কারি পাতা হল আয়ুর্বেদিক ওষুধ, যা ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কার্ডিওভাসকুলার রোগের চিকিৎসায় প্রাচীন কাল থেকেই কারি পাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। ছাড়াও কারি পাতা কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

 ডায়রিয়ায় কার্যকর: ডায়রিয়ায় কারি পাতার ব্যবহার একটি প্রতিষেধক। কারি পাতায় উপস্থিত কার্বাজোল অ্যালকালয়েড নামক উপাদান ডায়রিয়া প্রতিরোধ করে। এটি নিয়মিত সেবনে লিভারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

চুল শক্তিশালী করা: চুলের জন্যও কারি পাতা খুবই উপকারী। এর ব্যবহার চুল মজবুত করে এবং খুশকির সমস্যা থেকেও মুক্তি পায়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad