Thursday, February 19, 2026

অবৈধ মদ বিক্রি! পুলিশের জালে যুবক

 


নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: অবৈধ ভাবে দেশি মদ মজুত ও বিক্রির অভিযোগে গ্ৰেফতার এক বিক্রেতা। তাকে গ্রেফতার করল উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাগদা থানার পুলিশ। বুধবার গভীর রাতে বাগদা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।


পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিনয় অধিকারী, বয়স ৩৭ বছর। ধৃতের কাছ থেকে ২৫ বোতল দেশি মদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বনগাঁ আদালতে তোলা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।


বাগদার বাসিন্দা বিনয় অধিকারী বেশ কিছুদিন ধরেই পুলিশের নজর এড়িয়ে বেআইনি ভাবে দেশি মদ বিক্রি করতো। বাগদা বাজারে মূলত রাতের দিকে এই কাজ করত ধৃত। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ, বুধবার রাত ১ টা ১৫ মিনিটে অভিযান চালায় এবং মদ বিক্রি করার সময় ওই বিক্রেতাকে হাতেনাতে ধরে ফেলে পুলিশ।


পুলিশ জানিয়েছে, ২৫ টি বোতলের প্রতি বোতল ৬০০ মিলিমিটার করে দেশি মদ ছিল। সেগুলো বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Friday, February 13, 2026

শো-রুমে বিধ্বংসী আগুন, পুড়ে ছাই একাধিক বাইক


উত্তর ২৪ পরগনা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: বাইকের শোরুমে বিধ্বংসী আগুন। গাইঘাটা বাজার লাগোয়া যশোর রোডের পাশে ভয়াবহ এই লাগে। পুড়ে ছাই ৪০-৪২টি বাইক। বৃহস্পতিবার রাতে গাইঘাটা বাজার সংলগ্ন এলাকায় যশোর রোডের পাশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রাতের দিকে একটি শো-রুমে আগুন লাগে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।


প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবী, আগুন লাগার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কেউ একজন শো-রুমের মালিককে ফোন করে জানায় পুরো শোরুম জুড়ে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর দ্রুত থানায় খবর দেওয়া হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও তারা তৎক্ষণাৎ কোনও সক্রিয় পদক্ষেপ করেনি বরং দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে আগুনের ফুলকি ভেসে ওঠা দেখছিল বলে দাবী এলাকাবাসীর।


এই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা রাতেই রাস্তা অবরোধ করেন। এরপর ফায়ার ব্রিগেডে খবর পাঠানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় প্রায় ৪০ থেকে ৪২টি বাইক। ফায়ার ব্রিগেডের প্রথম গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গভীর রাত প্রায় ৩.২০ নাগাদ। প্রথমে একটি ইঞ্জিন পাঠানো হলেও আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় পরে আরও একটি গাড়ি পাঠানো হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

Wednesday, February 4, 2026

বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, কাঠগড়ায় তৃণমূল! এসপি অফিস ঘেরাও


নিজস্ব সংবাদদাতা, পশ্চিম মেদিনীপুর: বিধানসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজ্য-রাজনীতি। উত্তপ্ত কেশপুর। ইনডোর বৈঠক সেরে বেরোতেই বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ শাসক দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত অবস্থায় ৮ জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।  


জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুর ব্লকের ৭ নম্বর অঞ্চলের অন্তর্গত রামাকাটা এলাকায় একটি আভ্যন্তরীণ বৈঠকের আয়োজন করে বিজেপি নেতৃত্ব। অভিযোগ, বৈঠক শেষ হওয়ার পর বিজেপি কর্মীরা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন, ঠিক সেই সময় তাদের ওপর বাঁশ, লাঠি ও রড নিয়ে হামলা চালানো হয়। বেশ কিছু বাইক ভাঙচুর করা হয় বলেও অভিযোগ বিজেপি নেতৃত্বর। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চোট পায় বিজেপি কর্মীরা। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয় মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। 


কেশপুরের বিজেপি নেত্রী সোনালি ওঝার জানান, আমাদের অভ্যন্তরীণ বৈঠক‌ চলাকালীন প্রথমে ওরা এসে ভিডিও করে যায়। তার কিছুক্ষণ পর তারা লাঠি, রড নিয়ে এসে আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা ওখান থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে রাস্তায় ঘিরে ধরে বাইক ভাঙচুর করে। কোনও রকমে ওখান থেকে আমরা বেরিয়ে আসি। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে কেশপুরে তাঁদের পায়ের তলার মাটি শেষ হয়ে গিয়েছে। তাই বিজেপিকে মেরে ধরে আটকানোর চেষ্টা করছে। কোনও দিন বিজেপিকে আটকানো সম্ভব নয় তৃণমূল নেতারা জেনে রাখুন। 


অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানান কেশপুরে তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব মহম্মদ রফিক। তিনি বলেন, বিজেপির নেতারা জঙ্গলে পিকনিক করছিল, নিজেদের মধ্যে অন্তঃকলহ হয়েছে। সেখান থেকে ফেরার পথে রাস্তায় মদ খেয়ে মেয়েদেরক টোন-টিটকিরি করেছিল সেই সময় একটা গণ্ডগোল বাঁধে। যদিও এই ঘটনাকে নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি পুলিশের কাছে। বিজেপি কর্মী সমর্থকরা রাতেই এসপি অফিসের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।