সরকারের ছাড়ের পরও উত্তরের চায়ের উৎপাদনে ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Thursday, 3 June 2021

সরকারের ছাড়ের পরও উত্তরের চায়ের উৎপাদনে ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা

  


 সরকারের ছাড়ের পরও উত্তরের চায়ের উৎপাদনে ধাক্কা খাওয়ার সম্ভাবনা। তবে টি অকশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী এপ্রিল-মে উৎপাদন আলো দেখাতে পারে। বিস্তৃত তরাই ডুয়ার্স চা বাগান মালিকরা বলছেন চলতি বছরে উৎপাদন মার খেয়েছে অত্যন্ত ২৫-৩০%। তার সঙ্গে একই ভাবে বাজার রেট পড়তে শুরু করেছে। টি অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার সচিব সুমিত ঘোষ জানান ২০২০র মন্দা কেটে চাকা ঘুরতে শুরুর করার আগেই ফের সংক্রমনের বিধিনিষেধের কারনে ধাক্কা খেতে হচ্ছে চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে। 


পাশাপাশি আন্তজাতিক বাজারে চায়ের বাজার দরও পড়ে গিয়েছে অনেকটা। তিনি বলেন উত্তরবঙ্গের তরাই ডুয়ার্সের চায়ের সিজন নভেম্বর পর্যন্ত। বিগত বছরে মার্চ থেকে লকডাউন পড়ায় প্রথম পর্যায়ের চা পাতা তোলার সময়তেই ঘাটতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। সে ঘাটতি না মিটতেই এবারে ফের বিধিনিষেধ। তবে এবছর প্রথম পর্যায়ে পাতা উত্তলন আশাপ্রদ হওয়ায় উৎপাদন ও রপ্তানী উভয়ক্ষেত্রেই স্বস্তির দিকে এগোচ্ছিল কিন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ে সরকারি নির্দেশিকার কারনে উৎপাদনে প্রভাব পড়ছে। তবে রাজ্য সরকারের চা শিল্পের উৎপাদন ও রপ্তানির জন্য পরিবহনের ওপর যে ছাড় দিয়েছে তা চরম মন্দার মুখেও চা শিল্পে আশীর্বাদ হয়ে উঠছে। 


বাড়তি আশীষ রাখছে আবহাওয়া। ইয়াসের ও স্থানীয় নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তরের চা গাছের বৃদ্ধি ও  লুপার্ড, মাইট, গ্রীনসলাই ও রেড ফ্ল্যাগ মতো পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা মিলেছে। এদিকে দার্জিলিং পাহাড়ে হারানো বাজার পুনরায় দখলে কোভিড বড় বাধা হয়ে উঠেছে বলেই জানাচ্ছেন তরাই অঞ্চলের টি প্ল্যানটেশন সংগঠন ট্রিপার সভাপতি মহেন্দ্র প্রসাদ বানসাল। তিনি জানান ২০১৭তে পাহাড়  বন্ধের জেরে দার্জিলিং চায়ের যে বাজার নেপাল চা দখলে নেয় তা ১৮-১৯এর মধ্যে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তারওপর ২০২০থেকে লকডাউনের জেরে অনিশ্চিত পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তিনি জানান পূর্বের বছরের ক্ষতি কিছুটা সামলে ওঠার চেষ্টা করা হলেও এ বছর শেষে তরাই ডুয়ার্সের চা উৎপাদনে অত্যন্ত ১৫%ঘাটতির মুখে পড়তে পারে সে আশঙ্কা ব্যক্ত করছেন তিনি।


 পাশাপাশি কলকাতার টি প্যাকেজিং  ও বন্দরজাত করে চা রপ্তানির সময়তেও সমস্যা হচ্ছে। তবে চা মালিক ও চা শিল্প সংগঠনগুলি বাজার দর পড়ছে তা জানালেও শিলিগুড়ি টি অকশন সেন্টার থেকে মেলা পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে এ বছর প্রথম ফেজে কিছুটা ঘাটতি হলেও গত তিন বছরের এপ্রিল মাসে হিসেব মতে করোনার আগে ২০১৯সালে ৫৬১৬টন অকশন করা হয় যার গড় দর ১৫৩.৪৬টাকা ২০সালে একেবারেই পড়ে যায় অকশন হয় ১৩৮১টন যার গড় দর গিয়ে দাঁড়ায় ২০৭.৩৯প্রতি কেজি। তবে ২০২১এ উৎপাদনের নিরিখে অকশনের পরিমান বৃদ্ধি পায় ৭৪৬৫টন কিন্তু কেজি প্রতি ২০৮.৪১ গড় দড় হয়। সম্প্রতি মে মাসের হিসেব অনুযায়ী ৬৩৮০অকশন হয়।গড় দর রয়েছে ২০৫.৪৬ সেখানে কোভিডের আগে ২০১৯ এর মে মাসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মোট বিক্রয় ছিল ৭০০১টন, কেজি প্রতি গড় দড় ছিল১৪৮.১৩। 

 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad