করোনা আতঙ্কে নানান রোগের ওষুধ অমিল, বাড়ছে বিপদের সম্ভাবনা - Breaking Bangla |breakingbangla.com | Only breaking | Breaking Bengali News Portal From Kolkata |

Breaking

Post Top Ad

Saturday, 22 May 2021

করোনা আতঙ্কে নানান রোগের ওষুধ অমিল, বাড়ছে বিপদের সম্ভাবনা

  


করোনা সংক্রমনের জেরে মালদা শহরের  বেশ কিছু ওষুধের দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর কারণ হিসেবে একাংশ রোগী ও তাদের আত্মীয়রা প্রয়োজন ছাড়াই করোনার  ওষুধ বেশি করে বাড়িতে মজুত রাখছে, এমনটাই মনে করছেন অনেক ওষুধের দোকানীরা।একই সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ মজুত করা হচ্ছে। যার ফলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন নিয়েও একেক সময় প্রয়োজনীয় ওষুধের জন্য হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে রোগী ও তাদের আত্মীয়দের। এক্ষেত্রে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে চিকিৎসক মহল থেকে বহু ওষুধ ব্যবসায়ীরা।  


তাঁদের বক্তব্য,  একাংশ রোগীর পরিবার  বাড়িতে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি করে ওষুধ মজুত রাখছে।  যার মধ্যে ডক্সিসাইক্লিন -১০০ এমজি,  আইভারমেকটিন -১২ এমজি,  ভিটামিন-সি ৫০০ এমজি,  জিংক -৫০ এমজি,  মন্টেলুকাস্ট ডেক্সামেথাসন ৪/৮ এমজি এই ধরনের অনেক ওষুধ রয়েছে যেগুলি করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়ে থাকে । আর সেইসব ওষুধগুলি বিপুল পরিমাণে অনেকেই প্রয়োজন ছাড়াই বাড়িতে মজুদ করে রাখছে বলে অভিযোগ। মা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। মালদা শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে প্রায় কয়েক'শো ওষুধের দোকান রয়েছে। কিন্তু লকডাউন চলাকালীন করোণা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই প্রয়োজনীয় এই ধরনের ওষুধ সামগ্রী বাড়িতে বেশি করে মজুত করে রাখছেন বলে অভিযোগ উঠেছে  । 


যার কারণে আচমকাই করোনা চিকিৎসার ক্ষেত্রে ওষুধের সংকট দেখা দিতে পারে বলে মনে পড়ছে ওষুধ ব্যবসায়ীদের একাংশ। মালদায় হঠাৎ করে এই সব ওষুধের চাহিদা বেড়ে যাওয়াতেও ওষুধ ব্যবসায়ীরাও দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, প্রেসক্রিপশন দেখিয়েও অনেকেই গাদা গাদা ওষুধ চাইছে। একই ওষুধ চিকিৎসকেরা ১০ দিনের জন্য লিখে দিলেও সেটি কেউ কেউ একমাসের প্রয়োজনমতো তুলে নিচ্ছে। বারন করলেও শুনছেন না।ষ রোগীর পরিবারের অনেকেই বলছেন বাড়িতে একজন নয় একাধিক জন করোণা ,জ্বর , সর্দি-কাশি নিয়ে আক্রান্ত। তাই ওষুধ বেশি করে লাগবে। এই অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের করোনার চিকিৎসা মূলক ওষুধের সংকট দেখা দিতে শুরু করেছে। 


উল্লেখ্য,  মালদা জেলায় ইতিমধ্যে ডক্সিসাইক্লিন ১০০ এমজি,  আইভারমেকটিন ১২ এমজি জাতীয় ওষুধগুলি সহজেই পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ । এছাড়াও প্যারাসিটামল জাতীয় জ্বরের ওষুধ,  সর্দি কাশির ওষুধ লাগামছাড়া ভাবে বাজার থেকে উধাও হয়ে যাচ্ছে । আক্রান্ত রোগীর পরিবার প্রেসক্রিপশন নিয়ে হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন দোকানগুলিতে অনেক আগে থেকে সামান্য জ্বর সর্দি-কাশি হলেই মুঠো মুঠো ওষুধ সেবন করে সুস্থ থাকার চেষ্টা করছেন অনেক রোগীরা। কেউ কেউ চিকিৎসকদের পরামর্শ না নিয়ে বাড়িতে বসেই বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করছেন। আর এর ফলে বিপদ বাড়ছে বলে মনে করছে চিকিৎসকদের একাংশ।


মালদা শহরের জেনারেল ফিজিশিয়ান ডা: সায়ন ভট্টাচার্য বলেন,  কিছু কিছু ওষুধ রয়েছে যেগুলি জ্বরে আক্রান্ত একাংশ মানুষদের কাছে মাদুলির মতো কাজ করে। তাই কেউ কেউ বেশি পরিমাণে ভিটামিন খেয়ে করোণা আটকানো যাবে বলে মনে করছে। এর বাইরে এর ওর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধের নাম জেনে সেগুলি দোকান থেকে কিনে বাড়িতে বেশি করে মজুদ করে রাখছেন,  ব্যবহার করছেন। কিন্তু চিকিৎসকদের সঠিক পরামর্শ ছাড়া এইভাবে ওষুধ খাওয়াটা মোটেই সঠিক নয়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad